রাজ্যের মন্ত্রী তাজমুল হোসেনকে সম্বর্ধনা দিলেন ব্যবসায়ীরা,
ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষ থেকে মন্ত্রীকে সম্বর্ধনা। যিনি এক সময় নিজেও ব্যবসায়ী ছিলেন। আজ তিনি রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী। সঙ্গে তার কঠোর জীবন সংগ্রামের ইতিহাস স্মারক লিপি করে দেওয়া হল। সম্বর্ধিত হলেন রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী তাজমুল হোসেন। তাজমুল হোসেনের নিজের বিধানসভা ক্ষেত্র মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর, হরিশ্চন্দ্রপুর থানা ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষ থেকে এই সম্বর্ধনা জ্ঞাপন করা হয়। সম্বর্ধনা পেয়ে আপ্লুত এলাকার বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী। ব্যবসায়ী সমিতির কাজ কর্মের ভূয়সি প্রশংসা করেছেন। সঙ্গে দিয়েছেন পাশে থাকার আশ্বাস। হরিশ্চন্দ্রপুর বিধানসভার বিধায়ক তথা রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী তাজমুল হোসেন কিছু দিন আগেই মন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছেন। আর তারপর থেকেই এলাকায় জুড়ে খুশির হাওয়া। চলছে সম্বর্ধনা জ্ঞাপন পালা। বুধবার হরিশ্চন্দ্রপুর বাস স্ট্যান্ডে মন্ত্রীকে সম্বর্ধনা দেওয়া হয় ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে। জানা যায় মন্ত্রী নিজেও এক সময় ব্যবসায়ী ছিলেন। ফেরিওয়ালা ব্যবসায়ী ছিলেন। বিভিন্ন হাটে হাটে কাপড় ঘুরে ঘুরে বিক্রি করতেন। তারপর হরিশ্চন্দ্রপুরের ফুলহার দিয়ে গড়িয়ে গেছে অনেক জল। সেই দিনের সেই ফেরিওয়ালা ব্যবসায়ী এখন রাজ্যের মন্ত্রী। যা যথেষ্ট খুশির খবর এলাকার ব্যবসায়ীদের কাছে। প্রত্যেকেই গর্বিত এবং আনন্দে আপ্লুত। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক পবন কেডিয়া, ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ডাবলু রজক, উপদেষ্টা কমিটির সদস্য মোহাম্মদ ইসমাইল, জম্মু রহমান, প্রবীণ কেডিয়া, সজন আগরওয়াল,তিলকি গুপ্তা, তারকেশ্বর রায় সহ অন্যান্যরা। মন্ত্রী কে সম্বর্ধনার সাথে দেওয়া হয় মানপত্র। সঙ্গে মন্ত্রীর সাথে এলাকায় ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা এবং উন্নয়ন নিয়ে কথাবার্তা বলেন ব্যবসায়ীরা। মন্ত্রী সব দিক দিয়ে আশ্বস্ত করেন।
প্রতিমন্ত্রী তাজমুল হোসেন বলেন, আজ ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে আমাকে সম্বর্ধনা দেওয়া হল। আমার খুব ভালো লাগলো কারণ আমি নিজেও এক সময় ব্যবসায়ী ছিলাম। ওদের সঙ্গে সব রকম ব্যাপারে কথাবার্তা হয়েছে। আমরা সব সময় সাথে আছি। ব্যবসায়ী সমিতি এলাকার জন্য যেভাবে কাজ করে চলেছে তা যথেষ্ট প্রশংসার।
হরিশ্চন্দ্রপুর ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক পবন কেডিয়া বলেন, আজ এলাকার বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী কে সম্বর্ধনা দেওয়া হলো। উনি নিজেও এক সময় ব্যবসায়ী ছিলেন। ওনার সঙ্গে ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা বিষয় নিয়ে কথাবার্তা হয়েছে। এছাড়াও এলাকার বিভিন্ন উন্নয়ন নিয়ে কথা হয়েছে। উনি আমাদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন।
কিছুদিন আগেই রাজ্য মন্ত্রী সভায় বিভিন্ন রদবদল হয়। নতুন করে দায়িত্ব পান একাধিক জন। তাদের মধ্যে রয়েছে হরিশ্চন্দ্রপুরের বিধায়ক তাজমুল হোসেন। আর উনার মন্ত্রিত্ব পাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই খুশির হাওয়া বয়ে যায় এলাকা জুড়ে। খুশি এলাকার ব্যবসায়ীরাও। কারণ এক সময় উনি যে তাদের মধ্যে থেকেই ছিলেন। আজ ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে সম্বর্ধনা দিয়ে যেন সেই বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করা হলো মন্ত্রীকে,” আপনি তো আমাদেরই লোক।”
