স্ত্রীকে কুপিয়ে খুন করলো স্বামী
শ্যামপুর থানা এলাকার রতনপুর মন্ডল পাড়ার ঘটনা। সন্দেহের বশে ঘুমন্ত স্ত্রীকে কুপিয়ে খুন মানসিক বিকারগ্রস্ত স্বামীর। কাটারির আঘাতে আহত অভিযুক্ত নব কুমার মন্ডলের দাদা ও বৌদি। ঘটনার পর অভিযুক্ত ওই কাটারি দিয়ে নিজের মাথায় আঘাত করে। বর্তমানে অভিযুক্ত নব কুমার মন্ডল আশঙ্কাজনক অবস্থায় উলুবেড়িয়া মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। মৃত স্ত্রীর নাম দীপা মন্ডল। জানা গেছে মানসিক বিকারগ্রস্ত হওয়ার কারণে কোনো কাজকর্ম করত না নব কুমার মন্ডল। স্ত্রী দীপা মন্ডল অঙ্গনওয়াড়ি রান্নার কর্মী হিসেবে কাজ করতেন, পাশাপাশি বিকালবেলা ফুচকা বিক্রি করে সংসার চালাতেন। প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন বাড়ি থেকে কাজে বেরোলেই তাকে সন্দেহ করতো স্বামী। সেই নিয়ে প্রতিনিয়ত সাংসারিক অশান্তি লেগেই ছিল। গতকাল সন্ধ্যাবেলা মেয়ের বাড়ি থেকে ফিরে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন দীপা মন্ডল। ঘুমন্ত অবস্থাতেই কাটারি দিয়ে মাথায় আঘাত করে দীপা মন্ডলের তার স্বামী । দীপা মন্ডলের চিৎকার শুনে সেখানে পৌঁছে যান তার ভাসুর সুকুমার মন্ডল সহ এলাকার লোকজন। তখন সুকুমার বাবুর ওপর চড়াও হয় নব কুমার মন্ডল। তাকেও কাটারি কোপ মারেন। কোনমতে নিজেকে বাঁচিয়ে ঘরের মধ্যে ঢুকে যান সুকুমার বাবু। তার হাতে ১৭ টি সেলাই পড়েছে। স্বামীকে বাঁচাতে গিয়ে আহত হন সুকুমার বাবুর স্ত্রী। এর পরই ওই কাটারি দিয়েই নিজের মাথায় কোপ মারেন অভিযুক্ত নব কুমার মন্ডল। পরে পুলিশ এসে অভিযুক্ত এবং আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যায়। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান নবকুমার মানসিক বিকারগ্রস্ত।