স্বাধীনতা আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন তাদের পরিবারের সদস্য। কিন্তু SIR-এর নথিতে মিলছে না তাঁরই নাম। ফলে শুনানিতে পড়েছে ডাক। ১৯৭২ সালে ইন্দিরা গান্ধীর হাত থেকে পাওয়া তাম্রপত্র হাতে নিয়েই SIR এর জন্য হাজিরা দিতে গেল স্বাধীনতা সংগ্রামীর পরিবার। আর তা দেখতেই ভিড় জমল সিউড়ির শুনানি কেন্দ্রে।
জানা গিয়েছে, তৎকালীন বীরভূমের সিউড়ির বাসিন্দা জীবানন্দ মুখোপাধ্যায় । স্বাধীনতা সংগ্রামী হিসেবে দেশের জন্য লড়াই করেছিলেন তিনি। স্বাধীনতার পর একটি স্কুলে শিক্ষকতাও করেন তিনি । ১৯৭২ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী তাঁর হাতে তুলে দেন তাম্রপত্র। মূলত স্বাধীনতার পঁচিশ বছর পূর্তি উপলক্ষে স্বাধীনতা সংগ্রামীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় এই স্মারক । কিন্তু সেই স্বাধীনতা সংগ্রামীর পুত্রবধূ কল্পনা মুখোপাধ্যায়, দুই নাতি শুভজিৎ ও অরিজিৎ মুখোপাধ্যায় , এবং নাতনী প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় পেয়েছেন হাজিরা নোটিস । সেই নোটিস পেয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং শ্রী জীবানন্দ মুখোপাধ্যায়ের পাওয়া তাম্রপত্র হাতে নিয়েই সিউড়ির এক নম্বর ব্লক অফিসে হাজিরা দিতে এসেছেন তারা । আর সেই ঐতিহাসিক তাম্রপত্র দেখতেই ভিড় জমাচ্ছেন সাধারণ মানুষ ।তবে এই নোটিসকে হয়রানি মনে করছেন স্বাধীনতা সংগ্রামীর পরিবার।
