তন্ত্রসাধনায় সিদ্ধিলাভের আশায় গ্রামেরই আট বছরের একটি বাচ্চা মেয়েকে বলি দিল যুবক তান্ত্রিক৷ অবশ্য গণপিটুনির জেরে সেই তান্ত্রিকও বর্তমানে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে৷বুধবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে চাঁচল থানার গৌড়হণ্ড গ্রামে৷ এই ঘটনায় এদিন চাঁচল থানায় ওই যুবকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন নিহত নাবালিকার বাবা ও মা।

বুধবার রাতে মালদহের চাঁচলের গৌড়হন্ড গ্রামের এক নাবালিকার শ্বাসনালী কাটা ক্ষত বিক্ষত মৃতদেহ উদ্ধারকে ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ালো। বুধবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে মালদহের চাঁচল থানার গৌরহন্ড এলাকায়।ঘটনায় এক যুবককে আটক করে ব্যাপক গনপ্রহার করে বাসিন্দারা।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান চাঁচল থানার পুলিশ বাহিনী।গ্রামবাসীদের হাত থেকে ওই যুবককে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে চাঁচল সুপার স্পেশাল্যাটি হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।সেখানেই তার চিকিৎসা চলছে।বর্তমানে তার অবস্থা আজঙ্কাজনক।ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান চাঁচল মহকুমা পুলিশ আধিকারিক শুভেন্দু মণ্ডল ও চাঁচল থানার আইসি পুর্ণেন্দু কুন্ডুর নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে,মৃত ওই নাবালিকার নাম চুমকি বসাক বয়স প্রায় ৮ বছর। গতকাল সন্ধ্যে সেই বাড়িতে ছিল প্রতিবেশী যুবক বিক্রম ভগত তাকে ডেকে নিয়ে যায় বাড়ির পাশে একটি পুকুর পাড়ে। সেখানে নাবালিকাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয়। তারপর প্রতিবেশীরা নাবালিকার মৃত দেহ দেখতে পেয়ে তৎক্ষণাৎ খবর দেয় পরিবারকে।লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে এসে দেখেন নাবালিকার ক্ষতবিক্ষত দেহ। ঘটনায় অভিযুক্ত বিক্রম ভগতকে প্রতিবেশীরা আটক করে গণপ্রহর দেই অভিযুক্তের বাড়ি ও ভাঙচুর করা হয়। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় মালদহের চাঁচল থানার পুলিশ বিশাল পুলিশ বাহিনী। অভিযুক্ত বিক্রম ভগতকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।পুলিশ নাবালিকার মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠিয়েছে।অভিযুক্ত বিক্রম ভগতের শাস্তির দাবিতে সড়ক হয়েছেন মৃতার পরিবারসহ প্রতিবেশীরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

eleven + 19 =