আনন্দের শেষে এবার বিষাদে র পালা, চার পাঁচদিন মা জগদ্ধাত্রী কে সামনে রেখে একরাশ আনন্দে মেতেছিল গোটা চন্দননগর বাসী। তাদের সেই আনন্দে তাল মিলিয়ে ছিল গোটা রাজ্যের মানুষ। কাল রাত পর্যন্ত চুটিয়ে আনন্দ উপভোগ করার পর আজ সকাল থেকেই চন্দননগর ভাঙ্গা হাট। সকাল থেকেই চলছে সিঁদুর খেলা, মাকে বরণ, তারপর দেবী বিদায়ের পালা। বিশাল উচ্চতার জগদ্ধাত্রীকে বরণ করার জন্য কোথাও বই ব্যবহার করা হয় আবার কোথাও বড় টুল দিয়ে মাকে বরণ করেন স্থানীয় মহিলারা। গত দুবছর করনাকাল থাকার জন্য শোভাযাত্রা করা যায়নি। চন্দননগরের বিখ্যাত আলোকসজ্জা দেখানোর এই শোভাযাত্রা সারা দেশের নজর কাড়ে। এ বছর মোট ৬৭ টি পুজো কমিটি শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করবে সংগ্রহ করবে। তার আগে সকাল থেকে বাড়ির পুজো এবং যে বারোয়ারি গুলি শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করবে না তাদের বিসর্জন পর্ব চলবে। সন্ধে ছটা পর্যন্ত চন্দননগর রানী ঘাটে চলবে এই বিসর্জন পর্ব।
চন্দননগর স্টেশনের উল্টোদিকে সুভাষপল্লী বারোয়ারি গঙ্গায় বিসর্জনের জন্য রেললাইন পার করে মা জগদ্ধাত্রীর বিশাল প্রতিমা রেললাইন পার করে নিয়ে আসে কাঁধে করে। এরপর সেই প্রতিমা লরিতে তোলা হয়। মানুষের আবেগ উচ্ছাসকে পাথেও করে। আবার ও আরোও একটি বছরের অপেক্ষা। আসছে বছর আবার এসো মা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

eighteen − 17 =